শিরোনাম:
  • হিরো আলমও কিনছেন মনোনয়নপত্র
  • আমার সব ছবির সব অ্যাওয়ার্ড পাওয়া উচিত: শাহরুখ
  • মুশফিকুর-মুমিনুলের প্রশংসায় জারভিস
  • জার্মানিতে ‌বাংলাদেশ শিল্পী সাংস্কৃতিক সংগঠনের অভিষেক
  • ক্যারিয়ারের নতুন রেকর্ড গড়লেন মিরাজ
  • যুক্তরাষ্ট্রের এমন আগুন ৮৫ বছরে দেখেনি ক্যালিফোর্নিয়া
  • দেশের ইতিহাসে প্রথম উপজেলা পর্যায়ে চরফ্যাসনে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজের কার্যক্রম শুরু
  • চরফ্যাসনে উপমন্ত্রীর বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে ৩০টি এতিমখানা ও মাদ্রাসায় খাবার বিতরণ
  • চরফ্যাসন উপজেলা আওয়ামী লীগে’র বর্ধিত সভা
  • চরফ্যাসনে হিন্দু সম্প্রদায়কে ২০ লক্ষ টাকার অনুদান দিলে সাবেক সাংসদ মরহুম অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামের সন্তান উপমন্ত্রী জ্যাকব

সম্পাদক

সম্পাদক পরিচিতি

                                    প্রধান সম্পাদকঃ নাসির আহমেদ

নাসির আহমেদ

(কবি, সাংবাদিক, লেখক ও গীতিকার)

পরিচালক (বার্তা)

বাংলাদেশ টেলিভিশন, ঢাকা

তথ্য মন্ত্রণালয়

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

 

নাসির আহমেদ – কবি ও সাংবাদিক নাসির আহমেদের জন্ম বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপজেলা ভোলায়। ১৯৫২ সালের ৫ ডিসেম্বর ভোলা সদর উপজেলার আলীনগর গ্রামে তিনি একটি মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন । নিয়ামতপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি, ভোলা কলেজ থেকে এইচ.এস.সি । পড়াশুনা করছেন ভোলা টাউন হাই স্কুল, চরপাতা হাইস্কুল (১৯৬৪) ও ভোলা এ.রব হাইস্কুল আর রাজধানী ঢাকার তৎকালীন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে স্নাতক সম্পন্ন করেন ।

ছাত্রজীবনেই সাংবাদিকতা শুরু । কাজ করেছেন সাপ্তাহিক গণমুক্তি (১৯৭৬, বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা (১৯৭৮), অধুনালুপ্ত দৈনিক বাংলার সহসম্পাদক, দৈনিক জনকণ্ঠের সহকারী যুগ্ন সম্পাদক, সমকাল-এ ফিচার সম্পাদক ও সহযোগী সম্পাদক, সর্বশেষ দৈনিক বর্তমানের যুগ্ন সম্পাদক পদে কাজ করেন । ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), ঢাকাতে পরিচালক (বার্তা) পদে চুক্তিভিত্তিক যোগদান করেন । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণির স্নাতকোত্তরেএই কবি জনকণ্ঠসহ বিভিন্ন দৈনিকে রাজনৈতিক কলাম লিখে হয়েছেন পাঠকপ্রিয় । পাঠদান করাচ্ছেন একাধিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে ।

 

প্রকাশিত গ্রন্থ সংখ্যা ২৭ টি । ঊল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ আকুলতা, শুভ্রতার জন্যে, পাথরগুলো, দুঃখগুলো, তোমাকেই আশালতা, আমি স্বপ্ন তুমি রাত্রি, ভালোবাসা এই পথে গেছে, বৃক্ষমঙ্গল, তোমার জন্যে অনিন্দিতা, বিধ্বত্ব শহর ছেড়ে যেতে যেতে, কবিতা সংগ্রহ-১, একাত্তরের পদাবলী, ঝরাপাতার নৃত্যকলা, গোপনে তোমার সঙ্গে, ভয়াবহ এই নির্জনতা, নিজের সঙ্গে নিজের কথা, কবিতা সমগ্র-১, নির্বাচিত প্রেমের কবিতা, শ্রাবণের দুঃখপদাবলী, গলে যাচ্ছে আকাঙ্খার মোম, স্বপ্নে পাওয়া, কবিতা সংগ্রহ-২, এই বসন্তে তোমাকে, মাটি ও বৃষ্টির মতো, ভাল থাকার নির্দেশ আছে, প্রতীক্ষা তোমার জন্যে ইত্যাদি । এছাড়া বেরিয়েছে একাধিক শিশুতোষ গ্রন্থ ও গল্পগ্রন্থ ।

 

বাংলাদেশ বেতার ও বিটিভিতে প্রচারিত স্বরচিত গানের সংখ্যা হাজার খানেক । লিখেছেন একাধিক টিভি সিরিয়ালসহ বহু খন্ড নাটক ও নাটিকা । এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ধারাবাহিক নাটক বিটিভিতে শওকত ওসমানের উপন্যাস অবলম্বনে দুই সৈনিক (১৯৯৮), বিশেষ টেলিফিল্ম আয়নায় দাঁড়িয়ে (১৯৯৭), ঢেউ ভেঙ্গে ভেঙ্গে (২০০০), এটিএন বাংলায় দুটি মেগা সিরিয়াল সুখের লাগিয়া ও স্বপ্নমঙ্গল ২০০৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত টানা তিন বছর প্রচারিত হয় । চ্যানেল আইতে প্রচারিত হয় ৫২ পর্বের ধারাবাহিক ঝরাপাতার কাব্য ।

সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার (২০১০), পশ্চিমবঙ্গের বিষ্ঞু দে পুরস্কার, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় স্মৃতি সম্মাননা, সাগরদাড়ির মধুসূদন একাডেমি পদক, কাব্যকলা পুরস্কার, বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ পুরস্কার, জীবনানন্দ দাশ পুরস্কার, সুকান্ত একাডেমি পুরস্কার, চন্দ্রাবতী একাডেমি পদক, কবিতালাপ পুরস্কার, স্ট্যান্ডার্স এডুকেয়ার স্বর্ণপদক, জাতীয় মঙ্গল পদকসহ বহু পুরস্কার ও সম্মাননায় ভুষিত হয়েছেন । শ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে পেয়েছেন বাচসাস পুরস্কার ।

 

সম্পাদক প্রকাশকঃ মোসলেহ উদ্দিন তরুন

মোসলেহ উদ্দিন তরুন

সংগীত সংকলক

ট্রাফিক সম্প্রচার কার্যক্রম ৮৮.৮

বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা

তথ্য মন্ত্রণালয়

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

 

মোসলেহ উদ্দিন তরুন –  সংগীত সংকলক, সাংবাদিক, উপস্থাপক, শিক্ষক, প্রযোজক, উদ্যোগত্তা, ও সংবাদপাঠক মোসলেহ উদ্দিন তরুনের জন্ম ১লা মার্চ ১৯৮৮ সালে দ্বীপজেলা ভোলার বোরহান উদ্দিন উপজেলার মেঘনা নদীতে বিলীন হওয়া র্মিজাকালু বাজার এলাকায় হাসাননগর গ্রামে । বর্তমানে একই জেলার চরফ্যাশন উপজেলার পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে  টাউন স্কুল, ফ্যাশনপাড়ায় ফোম হাউজে তাঁর বাড়িতে তার গ্রামের বাড়ি ।

 

কর্মজীবনে- বর্তামনে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ বেতার, ঢাকার ট্রাফিক এফ.এম ৮৮.৮ স্টেশনে সংগীত সংকলক (অ.শি) হিসেবে কর্মরত আছেন । তার পূর্বে কিছু দিন বাংলাদেশ টেলিভিশনে সংবাদ বিভাগে বার্তা পরিচালকের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন । তিনি ২০১৭ সালে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার ষোলআনি গ্রামে লাল আয়াতুন আইডিয়াল স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দুই মাস চাকুরি করেছেন । তার পূর্বে সাবেক রাষ্ট্রপতি ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদের প্রতিষ্ঠিত রাজধানী ঢাকার বনানীতে অতীশ দ্বীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে তিন বছর চাকরি করেন । তার কর্মজীবনের প্রথম চাকরী হিসেবে রাজধানী ঢাকার বাংলামটরে অবস্থতি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ স্যারের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মিরপুর রোকেয়া স্মরণী ইউনিটের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরিয়ান হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন ।

 

শিক্ষাজীবনে- তিনি শিশু শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার মির্জাকালু বাজারে নদীতে বিলীন হওয়া সাবেক হাসাননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী সম্পন্ন করেন । ২০০২ সালে এস.এস.সি পরীক্ষায় ৩টি এ+ নিয়ে মির্জাকালু হাই স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে ঢাকার নরসিংদী সরকারি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে ২০০৪ সালে এইচ.এস.সিতে বাংলায় এ+ পেয়ে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন । ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষে রাজধানী ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভাগে ভর্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে সাহিত্য চর্চা ও পড়াশোনা শুরু করেন । ২০০৮ সালে অনার্স সম্পন্ন করার কথা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শেসন জটের কারণে ২০১০ সালে অনার্স পরীক্ষা দিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করে দ্বিতয়ি শেণীতে উত্তীর্ণ হন । ২০০৯ সালে মাস্টার্স শেষ করার কথা থাকলেও তা ২০১২ সালে চূড়ান্ত পরীক্ষার মাধ্যমে দ্বিতীয় শেণীতে উত্তীর্ণ হয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন জনাব মোসলেহ উদ্দিন তরুন ।

 

এক্সট্রা কোয়ালিটি- হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে ডিজিটাল আইসিটি এর উপর  চার মাস ব্যাপী কোর্স ও আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউট থেকে ইংরেজি ভাষার উপর তিন মাসের সংক্ষিপ্ত কোর্স সম্পন্ন করেন । গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের জাতীয় গণমাধ্যম ইন্সটিটিউট থেকে “বেতার ও টেলিভিশনে সংবাদ রিপোর্টিং এবং প্রেস ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ থেকে জনসংযোগ ও ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে কর্মশালা করেন । এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টি.এস.সিতে ঢাবি ফটোগ্রাফিক সোসাইটি থেকে ফটো ও ভিডিও গ্রাফির উপর তিন মাস ব্যাপী কোর্স, দৃষ্টিপাত নাট্য দলের ৫টি নাটকে মঞ্চ অভিনয় এবং শব্দার্থ আবৃত্তি একাডেমিতে আবৃত্তির উপর কর্মশালাসহ দৈনিক প্রথম আলো জবস থেকে সংবাদ পাঠের উপর মাস ব্যাপি কোর্স সম্পন্ন করেন ।

 

মিডিয়া জগতে- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সময় ২০০৭ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত দৈনিক সমাচার (এক বছর) দৈনিক করতোয়া (এক বছর), দৈনিক জনপদ (দুই বছর), বাংলার চোখ ফটো সংস্থা (দুই বছর) এবং রেডিও টু-ডে এফ.এম ৮৯.৬ স্টেশনে ছয় মাস ক্যাম্পাস রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন । সেই সুবাদে ২০১০-১১ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিরি সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে এক বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন ।

 

সাংগঠনিক হিসেবে- জনাব মোসলেহ উদ্দিন তরুন একজন প্রগতিশীল, আধুনিক, ডিজিটাল ও উন্নয়ন নির্ভরশীল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে ২০১৪ সাল থেকে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার কেন্দ্রীয় কমিটির সহ তথ্য সম্পাদক, মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন । এছাড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক জোটের (২০১৪) প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আবুত্তি সংসদের (২০০৮) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, জবির অন-লাইন ক্যাম্পাস রেডিও জেএনএইউ রেডিও মাইন্ড এর (২০১০) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও জবরি শিক্ষা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মাসিক ম্যাগাজিন প্রতিভা বিকাশের (২০১১) প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন । সেই সুবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক স্টান্ডিং কমিটির সদস্য হিসেবে ২০১০৪-১২ সাল পর্যন্ত চার বছর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সাথে ভিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কমিটিতে কাজ করেছিলেন ।

 

পারিবারিক জীবনে- তার পিতা একজন স্কুল শিক্ষক ও মাতা গৃহিণী ছিলেন । একটি লঞ্চ দূর্ঘটনায় ১৯৯৬ সালে তার পিতা ও মাতা পরলোক গমন করে । তিন তখন ৪র্থ শ্রেণিতে পড়াশোনা করেন । তার একমাত্র বড় বোন নুরুননেসা বেগম একজন আধুনিক, শিক্ষিত ও রত্নর্গভা চার সন্তানের জননী । জনাব মোসলেহ উদ্দিন তরুন তার একমাত্র বড় বোনের সাথে মা ও বাবা হারানোর যন্ত্রণাগুলোকে আপন করে স্বশ্রদ্ধেয় এখনো ভালবেসে যাচ্ছেন । ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এখনো অবিবাহিত এবং চিরকুমার ।  তার একমাত্র বড় বোন নুরুননেসা বেগমের চার সন্তান তথা শাহনাজ বেগম (ডিগ্রী), আবব্বাস উদ্দিন আপন (অনার্স), আল আমিন পাপন (এইচ.এস.সি) ও সাদিয়া আক্তার (২য় শ্রেণী) কে নিয়ে বড় বোনের আদর স্নেহ ও ভালবাসায় রাজধানী ঢাকার কারওয়ান বাজার গার্ডেন রোডে “র্নিবাসন” বাসার পর বর্তমানে ”ছবি বিলাস” নামের বাসায় শিল্প, সাহিত্য ও সামাজিক এবং সাংস্কৃতিকভাবে উচ্চজীবন যাপন করছেন ।

 

 

যুগ্ন সম্পাদকঃ বোরহান মাসুদ

বোরহান মাসুদ

(লেখক ও শিল্পী)

বেতার বাংলা প্রকাশনা,

বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা

তথ্য মন্ত্রণালয়

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

 

বোরহান মাসুদ- কবি ও লেখক এবং ছড়াকার হিসেবে ছাত্র জীবন থেকেই তিনি পাঠক সমাজে ব্যাপক সারা জাগিয়েছে । কর্মজীবনের শুরুতে বাংলা একাডেমি, শিশু একাডেমিতে খন্ডকালীন চাকরি করেছেন । বর্তমানে বাংলাদেশ বেতার, ঢাকার বেতার বাংলা প্রকাশনায় নিয়মিত লেখালেখি করেন । শিল্পী ও ছড়াকার বোরহান মাসুদ শিশুদের নিয়ে ৭/৮টি বই লিখে শিশুদের লেখক হিসেবে বেশ কয়েকটি পুরস্কার পেয়েছেন । তিনি ঢাকার অমর একুশে বই মেলায় বইমেলা প্রতিদিন পত্রিকায় কয়েক বছর সাংবাদিকতা ও সম্পাদনার কাজ করেছেন । তিনি ঢাকার মিরপুর বাংলা কলেজ থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে সম্মান ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন । তাঁর জন্ম দ্বীপজেলা ভোলার বোরহান উদ্দিন থানায় । বর্তমানে তাঁর গ্রামের বাড়ি চরফ্যাশনের দুলারহা্ট থানার পাশে । ব্যক্তি জীবনে বোরহান মাসুদ একজন সৌখিন কবি, লেখক ও পর্যটক ।

 

 

 

 

 

 

 

 

                                          প্রধান নির্বাহী সম্পাদকঃ হাওলাদার মাকসুদ

হাওলাদার মাকসুদ

(কবি, ছড়াকার, লেখক ও সাহিত্যিক)

প্রভাষক,

বাংলাবাজার ফাতেমা খানম ডিগ্রি কলেজ, দৌলতখান, ভোলা

 

হাওলাদার মাকসুদ – হাওলাদার মাকসুদ, পিতা : মরহুম শাহ আলম মাস্টার, মাতা : মরহুম রওশন আরা বেগম, জন্ম : ১ এপ্রিল, ১৯৭৫, ভোলার দক্ষিণ দীঘলদি ইউনিয়নের দক্ষিলণ বালিয়া গ্রাম (বড় হাওলাদার বাড়ি), পেশা : অধ্যাপনা, বাংলাবাজার ফাতেমা খানম ডিগ্রি কলেজ, ভোলা ।

শিশু-কিশোরদের জন্য অত্যন্ত চিত্তার্কষক মজার মজার ছড়া লেখার পাশাপাশি তিনি দেশ ও সমাজের নানা অসঙ্গতি নিয়ে অনবরত ছড়া লিখে চলেছেন । তাঁর ছড়ায় ছন্দের চমৎকার মেলবন্ধন স্পষ্ট ।এই নিবেদিত ছড়াকার “ছড়ার সনেট রচয়িতা” নামে পরিচিতি লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন ।

 

মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিশ্বাসী এই ছড়াকারের ইতোমধ্যে ‘কদমতলার বিয়ে’ ও ‘পতাকার কান্না’ শিরোনামে দু’টি ছড়াগ্রণ্হ প্রকাশিত হয়েছে । ‘শাহবাগের ছড়া’ তার তৃতীয় ছড়াগ্রন্হ ।

 

 

 

 

 

 

 

 

নির্বাহী সম্পাদকঃ জেবুননেছা জামিল টুম্পা

জেবুননেছা জামিল টুম্পা সাবেক শিক্ষার্থী

স্নাতক ও স্নাতকোত্তর

সরকারি মহিলা কলেজ,

চট্রগ্রাম

 

জেবুননেছা জেবু –  বেসরকারি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও নারীদের উন্নয়ন এবং কর্মমুখী অর্থনীতি বিশ্লেষক । তিনি অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করে দেশের প্রচলিত অর্থ ও বাণিজ্যের উপরে গবেষণা করে সমসাময়িক অর্থ ও ব্যবসা বাণিজ্য নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা ও সমালোচনাসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক এবং আঞ্চলিক পত্রিকাসহ অনলাইন পত্রিকায় লেখালেখি করে থাকেন । চাকরী জীবনের শুরুতে ঢাকার একটি স্বনামধন্য কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে এখনো নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন ।  জীবুননেছা জামিলের জন্ম ১৫ নভেম্বর ১৯৮৮ সালে চট্রগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড উপজেলার ভাটিয়ারি গ্রামে । বাবা একজন সৌখিন প্রবাসী ব্যবসায়ী ও মা গ্রহিণী । এক ভাই বোনের মধ্যে জীবুননেছা ছোট ।

পড়াশোনা শুরু করেন ভাটিয়ারী গ্রামে হোসাইনিয়া সরকারি প্রাইমারী স্কুলে । এস.এস.সি করেন ২০০৫ সালে সীতাকুন্ডের ফৌজদারহাট কে.এম উচ্চবিদ্যালয়ে । এইচ.এস.সি করেন ২০০৭ সালে মানবিক বিষয়ে চট্রগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ থেকে । ২০১১ সালে বি.এস.এস (অনার্স) ও ২০১৬ সালে এম.এস.এস (মাস্টার্স) অর্থনীতি বিষয়ে সম্পন্ন করেন চট্রগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজ থেকে

তিনি  বিভিন্ন বিষয়ে সময়পযোগী গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, ফিচার ও কলাম লেখাসহ শিল্প সাহিত্যের বিভিন্ন অঙ্গনে ছাত্র জীবন থেকে কৃতিত্বের সাথে পড়াশুনা সম্পন্ন করেন । গল্প বলতে পারেন মনের আনন্দে । উপস্থাপনার মাধ্যমে মানুষকে মুগ্ধ করতে পারেন খুব সহজে । সে লেখালেখি করে সমাজের সত্য সুন্দরকে পাঠকের নিকট তুলে ধরতে চায় ।

 

 

 

 

 

 

 

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ ডাঃ শরীফুল ইসলাম

ডাঃ শরীফুল ইসলাম

চিকিৎসক

লাল আয়াতুন মেমোরিয়াল হাসাপাতাল, ষোলআনি, গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ

 

ডাঃ শরীফুল ইসলাম – শরীফুল ইসলাম জন্মগ্রহ করেন ১৯৮৫ সালে চাঁদপুর জেলার মতলব উওর থানার ডাইয়াখোলা গ্রামে সম্বান্ত মুসলিম পরিবারে । তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মার্কেটিংয়ে স্নাতক ও সম্মানসহ এম.এ ডিগ্রি এবং বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড থেকে ডিপ্লোমা ইন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি বিষয়ে হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রি অর্জন করেন। ডাঃ শরিফ লেখাপড়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের ছাত্র সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ছাত্রদের উন্নয়নে কাজ করেন। এমনকি দেশের গন্ডি পেরিয়ে ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ এক্সচেন্জ সেন্টারে যোগদান করেন। এ পর্যন্ত তিনি সাউথ আফ্রিকা, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশীয়, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, নেপালসহ অনেক দেশে বাংলাদেশর প্রতিনিধি হিসেবে অংশ গ্রহন করেন। বর্তমানে তিনি জাতিসংঘের শান্তি বিষয়ক সহযোগী সংস্থা ইউনিভার্সাল পিস ফেডারেশনের সাউথ এশিয়া প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।

 

 

যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক

ট্রাভেলিং বাংলাদেশ ২৪.কম

editorial@travelingbangladesh24.com, travelingbangladesh24@gmail.com

বার্তাঃ +৮৮ ০১৮১৮৭৬১৫১৫,  ব্র্যান্ডিংঃ+৮৮  ০১৫৫২৫৯২১৫০

হাফিজ  ম্যানশন , ৩৩ কারওয়ান বাজার, কাজী নজরুল ইসলাম এ্যাভিনিউ, ঢাকা – ১২১৫

www.travelingbangladesh24.com